JUGALKISHORE JHA





জাননগর গ্রাম , মালদহ জেলার রতুয়া থানার পিছিয়ে পড়া গ্রাম । সেখানে এক জন মৈথিল জমিদার পরিবারে আমার জন্ম । বাবা ছিলেন নুরপুর খাঁ জমিদার নায়েব । তাদের জমিদারী দেখা শুনার প্রয়োজনে তারা স্থায়ি ভাবে বসবাস শুরু করেন এই গ্রামে । তা ছাড়া ভালুয়ারা ও ডায়ুয়া তাদের নিজস্ব জমি জমা ছিল । অর্থাৎ আমার ছোট বেলা কেটেছে আমার এই গ্রামে আমি যথেষ্ট ভালবাসি । এই গ্রামকে নিয়ে আমি অনেক স্বপ্ন দেখেছি , কিন্তু ভাগ্য বিপর্যয়ে ফলে আমার জীবনে এক মর্মান্তিক ঘটনা আমার জীবনকে তছনছ করে দিল যার রেষ আজও আমাকে ভুগতে হচ্ছে । বামপন্থী রাজনীতি টানে ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট পার্টীর [ মার্কসবাদী] পার্টীর সংগঠিত ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিই জেলার কমিউনিস্ট নেতা মানিক ঝা এর অনুপেরনা তে । ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত জেলার গনতান্ত্রিক আন্দোলনের সংগঠক হিসাবে জেলার সি পি আই [ এম]  দলে তরুণ কর্মী হিসাবে তৎকালীন যুব নেতা শৈলেন সরকার , জীবন মৈত্র দের রতুয়া খরবা বা মানিকচকে কাজে অংশ নিয়েছি । ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ আধা ফাসিবাদি সন্ত্রাসের সময়ে দুর্গাপুরের শ্রমিক আন্দোলন হাতছানি দিয়ে ডাকছে । শ্রমিক আন্দোলনের হেড কোয়াটার দুর্গাপুরের চলে এলাম জন্মভুমি কে ফেলে এসে আর যুক্ত হলাম আধা ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস ও জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধে দুর্গাপুরে রাখাল ভট্টাচার্য ও সুখেন সরকারের পরামর্শে এই এলাকা তে পার্টি কাজ গোপনে সংগঠিত করা । ১৯৭৭ সালে কেন্দ্রে ও রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে দিল্লি তে মোরারজি দেশাই এর নেত্রিত্বে জনতা পার্টির সরকার আর রাজ্যে গঠিত হল জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট সরকার । কিন্তু জীবনের বাস্তব উপলব্ধি আমাকে ১৯৯২ সালে কমিউনিস্ট পার্টি ত্যাগ করে ভারতীয়  জনতা পার্টী যোগ দিই । তার সেই জাতিয়তাবাদের পথ ধরে চলা আর এই অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার টুকরো টুকরো স্মৃতি নিয়ে লেখার আমার এই প্রচেষ্টা । 
অটল বিহারী বাজপেয়ী নেতৃত্বে ন্তুন ভারত গড়ে তোলার স্বপ্ন আমাকে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলাম । 


Comments

Popular posts from this blog

একটি জ্যোতিষীয় বিশ্লেষণ

shyama khapa